পর্তুগালের লিসবনে ধর্ষণ ও নির্যাতনের চলমান তদন্তে আরও ১৫ জন পুলিশ কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, এই নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিরা মূলত নথিপত্রহীন বিদেশি নাগরিক, গৃহহীন মানুষ অথবা মাদকাসক্ত।
মঙ্গলবার দেশটির পুলিশ এক বিবৃতিতে জানায়, ক্ষমতা অপব্যবহারের এই তদন্তের পরিধি বাড়িয়ে আরও ১৫ জন কর্মকর্তাকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এর ফলে গুরুতর নির্যাতন, ধর্ষণ, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং শারীরিক লাঞ্ছনার অভিযোগে এখন পর্যন্ত মোট ২৪ জন পুলিশ কর্মকর্তা তদন্তের আওতায় রয়েছেন।
মঙ্গলবার লিসবনের দুটি পুলিশ স্টেশনসহ প্রায় ৩০টি স্থানে তল্লাশি চালানো হয়, যেখানে এই অপরাধগুলো সংঘটিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই বিষয়ে পুলিশের পরিচালক লুইস কারিলহো সোমবার বলেন, “অপকর্মের ক্ষেত্রে আমরা জিরো-টলারেন্স নীতি মেনে চলি। সাধারণ মানুষ পুলিশের ওপর আস্থা বজায় রাখতে পারেন।”
এর আগে গত মার্চ মাসে একই অভিযোগে সাতজন পুলিশ কর্মকর্তাকে রিমান্ডে নেওয়া হয়েছিল। মূলত গত বছরের জুলাই মাসে শুরু হওয়া এক অভিযানের পর এই পুরো বিষয়টি সামনে আসে। তদন্তের তথ্যানুসারে, পুলিশ কর্মকর্তারা ইচ্ছাকৃতভাবে সমাজের সবচেয়ে অসহায় মানুষদের (মাদকাসক্ত, গৃহহীন এবং অবৈধ অভিবাসী) টার্গেট করে এই জঘন্য অপরাধগুলো করতেন।
সংবাদমাধ্যমগুলোর মতে, এই তদন্তে শেষ পর্যন্ত বিভিন্ন পদমর্যাদার প্রায় ৭০ জন কর্মকর্তা জড়িত থাকতে পারেন।
তথ্যসূত্র – রয়টার্স /ইউরো নিউজ


