কাসকাইশ ও লিসবনের মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ সড়ক মারজিনালে টোল বসানোর সম্ভাবনা বিবেচনা করছে কাসকাইশ পৌরসভা। সড়কটির রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় মেটাতে এ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে। তবে কাসকাইশের বাসিন্দাদের টোল দিতে হবে না বলে জানিয়েছেন পৌরসভার মেয়র নুনো পিতেইরা লোপেস।
মারজিনাল সড়কের কাসকাইশ পৌরসভার মধ্য দিয়ে যাওয়া অংশটির দায়িত্ব সম্প্রতি পৌরসভার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। কারকাভেলুশ সীমান্ত পর্যন্ত এই অংশের দায়িত্ব পাওয়ার পরই সড়কটিতে টোল বসানোর বিষয়টি আলোচনায় এসেছে।
তবে এখনো টোল চালুর বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। পৌরসভা এ প্রস্তাব অনুমোদন করবে কি না, সেটিও নিশ্চিত নয়।
স্থানীয়দের জন্য টোলমুক্ত
সিএনএন পর্তুগাল/টিভিআইকে নুনো পিতেইরা লোপেস বলেন, কাসকাইশের বাসিন্দাদের জন্য টোল প্রযোজ্য হবে না। আলোচনা শুরুর সময় থেকেই এ শর্ত রাখা হয়েছে বলে জানান তিনি।
কাসকাইশের বাইরের চালকদের কাছ থেকে টোল আদায়ের বিষয়টি মূলত সড়কটির রক্ষণাবেক্ষণ ও অর্থায়নের উপায় হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। মারজিনাল সড়কটি এ৫ মহাসড়কের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প পথ।
তবে টোলের সম্ভাব্য পরিমাণ বা কীভাবে তা আদায় করা হবে, সে বিষয়ে এখনো কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
সড়কে আরও পরিবর্তনের পরিকল্পনা
মারজিনাল সড়ক ব্যবস্থাপনায় আরও কিছু পরিবর্তনের পরিকল্পনা করছে কাসকাইশ পৌরসভা। এর মধ্যে পারেদে এক্সিটে একটি গোলচত্বর নির্মাণ এবং গতিসীমা পর্যবেক্ষণ ও ট্রাফিক নজরদারির জন্য ক্যামেরা স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে।
সড়কটির যান চলাচল পরিস্থিতি ও ব্যবস্থাপনা উন্নত করতেই এসব পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে পৌরসভা।
রেল যোগাযোগ বাড়ানোর ওপর জোর
মারজিনালে টোল চালু হলে জীবনযাত্রার ব্যয় বাড়ার আশঙ্কা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে যারা এ৫-এর টোল এড়াতে মারজিনাল সড়ক ব্যবহার করেন, তাদের ওপর এর প্রভাব পড়তে পারে।
এ বিষয়ে নুনো পিতেইরা লোপেস বলেন, মারজিনালে ব্যক্তিগত গাড়ির চাপ কমাতে রেল যোগাযোগ আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন।
তিনি জানান, কাসকাইশ রেললাইনের উন্নয়নে কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ হয়েছে। নতুন ট্রেনও আসার কথা রয়েছে। পাশাপাশি শিগগিরই এই রেললাইনের ব্যবস্থাপনা বেসরকারি খাতে দেওয়ার প্রত্যাশা করা হচ্ছে।


